নিজস্ব প্রতিবেদক : দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর এনফোর্সমেন্ট ইউনিট আজ ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রিস্টাব্দে তিনটি পৃথক অভিযোগের প্রেক্ষিতে একযোগে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করেছে। দুদক সূত্রে জানা যায়, চলচ্চিত্র প্রযোজনা ব্যবসা, স্বাস্থ্যসেবা খাত এবং শিল্পকারখানায় সংঘটিত বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ যাচাই করতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান–০১:
চলচ্চিত্র নির্মাণ ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে অবৈধ অর্থ লেনদেন, হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর, আয় গোপন, কর ফাঁকি ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা হতে আলফা আই প্রোডাকশন নামীয় প্রতিষ্ঠানে একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে এনফোর্সমেন্ট টিম প্রতিষ্ঠানটির অফিস সরেজমিনে পরিদর্শন করে বিভিন্ন রেকর্ডপত্র যাচাই করে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে। পাশাপাশি অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়। এসব তথ্য পর্যালোচনা শেষে কমিশন বরাবর একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
অভিযান–০২:
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঘুস লেনদেন, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অবৈধ বাণিজ্য পরিচালনা, সেবা প্রদানে অনিয়ম ও সাধারণ রোগীদের হয়রানির অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, সিলেট হতে অপর একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানকালে হাসপাতালের সেবাগ্রহীতা ও দাতাদের সঙ্গে কথা বলে অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়। প্রাথমিক পর্যালোচনায় অভিযোগসমূহের সত্যতা রয়েছে বলে এনফোর্সমেন্ট টিমের নিকট প্রতীয়মান হয়। সংগৃহীত নথিপত্র পর্যালোচনা করে কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
অভিযান–০৩:
কুষ্টিয়ার বি.আর.বি কেবল কারখানায় রাজস্ব ফাঁকি ও বিপুল পরিমাণ চোরাই তামা বিক্রয়ের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, কুষ্টিয়া হতে আরেকটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ২০২১ খ্রিস্টাব্দ থেকে ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তামা ক্রয় সংক্রান্ত হিসাবপত্র, যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে তামা আমদানি করা হয়েছে তাদের তথ্য, বর্তমানে গোডাউনে মজুদকৃত তামার পরিমাণ এবং আয়কর সংক্রান্ত নথিসহ বিভিন্ন তথ্য চাওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত নথিপত্র যাচাই করে এনফোর্সমেন্ট টিম। বাকি তথ্য পূর্ণাঙ্গভাবে পর্যালোচনা শেষে কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। দুর্নীতি দমন কমিশন জানায়, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে কমিশনের এ ধরনের এনফোর্সমেন্ট অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ জাহাঙ্গীর আলম || বার্তা সম্পাদক: শাকিল মাহমুদ শান্ত || টঙ্গী দত্তপাড়া, জহির মার্কেট, টঙ্গী গাজীপুর ঢাকা। E-mail: editorgrambarta@gmail.com যোগাযোগ : ০১৯১১-২৪৫৮৯৫ | ০১৯১৩-৩৪৪৮১৭ | ০১৭৩১-৬১৬২১৫ | ০১৯৭২-৬১৬২১৫