• সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন, ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে টানটান লড়াই টঙ্গীর ৪৭ নং ওয়ার্ডে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল দক্ষিণ আউচপাড়া স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্যোগে মেগা ফাইনাল সিজন–১ মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন খোরশেদ একাদশ জামানতের টাকা ফেরত না পেয়ে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংক টঙ্গী কলেজ গেট শাখায় গ্রাহকদের বিক্ষোভ র‌্যাব-১ এর সফল অভিযান : উত্তরা থেকে ছিনতাইকৃত লাইসেন্সকৃত শটগান ও গুলি শেরেবাংলা নগর থেকে উদ্ধার মাদকবিরোধী অভিযানে জীবননগরে ডিবির হাতে ৩২ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আলমডাঙ্গার ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার আলমডাঙ্গায় পুলিশের চেকপোস্টে দেশীয় অস্ত্রসহ দুইজন গ্রেপ্তার ১১ দলীয় জোটে ২৫৩ আসনের সমঝোতা, ইসলামী আন্দোলনের সিদ্ধান্তে অপেক্ষায় জামায়াত জীবননগরে সেনা হেফাজতে থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করা বিএনপি নেতার দাফন সম্পন্ন

সরকারি সহযোগিতা না পেয়ে ধুঁকছে নিউ মন্নু ফাইন কটন মিলস: ৪৪ কোটি টাকার ঋণবোজায় স্তব্ধ শ্রমিক মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান

grambarta / ১৩৪ ভিউ
প্রকাশের সময় : বুধবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৫
oplus_0

নিজস্ব প্রতিবেদক: গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত নিউ মন্নু ফাইন কটন মিলস লিমিটেড এক সময় দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় বস্ত্র শিল্প প্রতিষ্ঠান ছিল। কিন্তু বর্তমানে সরকারি সহযোগিতার অভাব ও ঋণের বোঝায় জর্জরিত হয়ে মিলটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ অবস্থায় পড়ে আছে। তথ্য অনুসারে, মিলটি যখন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশন (বিটিএমসি) পরিচালনা করতো, তখন থেকেই ক্রমাগত লোকসানে পড়ে। পরে ২০০১ সালে শ্রমিকদের মালিকানা অংশীদার করে সরকারের সঙ্গে একটি যৌথ চুক্তি হয়। সেই সময় শ্রমিকদের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও সরকারি সহযোগিতা বাস্তবে কখনোই মিলেনি। মিলের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুস সালাম জানান, চুক্তির সময় ১৫ কোটি টাকার ঋণ শ্রমিকদের কাঁধে চাপিয়ে দেওয়া হয়, যা শ্রমিকরা না বুঝে স্বাক্ষর করেন। এরপর তিন বছর মিলটি বন্ধ ছিল। পুরনো যন্ত্রপাতি দিয়ে পুনরায় উৎপাদন শুরু করার চেষ্টা করলেও কোনো আশার আলো দেখা যায়নি। তিনি আরও জানান, বর্তমানে মিলটির মোট ঋণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৪ কোটি টাকা। বারবার ঋণের সুদ মওকুফের আবেদন জানানো হলেও সরকারিভাবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। ফলে মিলটি কার্যত অচল অবস্থায় আছে। তবে ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, সরকার যদি ঋণের সুদ মওকুফ করে কিস্তি সুবিধা দেয়, তাহলে জয়েন্ট পার্টনারের মাধ্যমে পুনরায় মিলটি চালু করা সম্ভব। মিলটি চালু হলে এলাকার হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান হবে, বেকারত্ব কমবে এবং সরকারও রাজস্ব পাবে। বর্তমানে মিলটির ৮৭০ জন শেয়ারহোল্ডার আছেন। মিলের অচলাবস্থায়ও সীমিতভাবে গোডাউন ভাড়া দিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে মিলটিতে একজন চেয়ারম্যান, একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ১৩ জন পরিচালকসহ মোট ৫৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত আছেন। স্থানীয়রা জানান, মিলটি একসময় আশপাশের এলাকার অর্থনীতিতে প্রাণ সঞ্চার করেছিল। হাজার হাজার শ্রমিকের সংসার চলত এই মিল ঘিরে। কিন্তু বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বেকারত্ব বেড়েছে, অনেকেই জীবিকার তাগিদে এলাকা ছেড়েছেন। অর্থনীতিবিদদের মতে, সরকার যদি এই ধরনের শ্রমিক-মালিকানাধীন শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে উদ্যোগ নেয়, তাহলে স্থানীয় শিল্প পুনরায় চাঙ্গা হবে, বেকারত্ব ও অপরাধ প্রবণতাও কমবে। সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রতি সচেতন মহলের দাবি নিউ মন্নু ফাইন কটন মিলের ঋণের সুদ মওকুফ ও পুনঃবিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করলে এটি আবারও টঙ্গী অঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন জীবন ফিরিয়ে আনতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর